রপ্তানি আয়ের বিপরীতে ঋণ পরিশোধের অনুপাত ১৬ শতাংশ। যা আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কম। অর্থাৎ রপ্তানি আয় থেকে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে যে অর্থ ব্যয় করতে হয়, তা রপ্তানি আয়ের ১৬ শতাংশ। এই অনুপাত কমে আসাকে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যায়।গত ১০ বছরে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের বকেয়া বেড়েছে তিন গুণ। ২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের ঋণের স্থিতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৪৩ কোটি ডলার।
২০১৫ সালে এর পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৮৭৭ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বাজারদরে (ডলারের দাম ১২৫ টাকা ধরে) এই বকেয়া ঋণের পরিমাণ ১৪ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা।বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৬–এ এই চিত্র উঠে এসেছে। তবে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ঋণের স্থিতি ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ার মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণও বাড়ছে।
গত বৃহস্পতিবার (ওয়াশিংটন সময়) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।ঋণের স্থিতি কী ঋণের স্থিতি বলতে নির্দিষ্ট কোনো সময় পর্যন্ত একটি দেশ বা প্রতিষ্ঠানের মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণকে বোঝায়।সহজভাবে বললে, কোনো দেশ বিভিন্ন সময়ে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আগামী ১ জানুয়ারি, প্রস্তুতি শুরু
মার্কিন শুল্ক চুক্তি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে: সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর
সহজ লেখা বুঝতে পারে না ৫০ শতাংশ শিশু, প্রাথমিকের মানোন্নয়নে ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক
এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকন্ঠা
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও এ দেশের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন