advertisement

তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে শেষ হাসি আনিকার

তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে শেষ হাসি আনিকার
দিনাজপুর বন্ধুসভার দাবা প্রতিযোগিতা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

মেধা, মনন ও কৌশলগত দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে দিনাজপুর বন্ধুসভা। ৩০ অক্টোবর বিকেলে প্রথম আলো দিনাজপুর অফিসে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।বেলা ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে প্রতিযোগিতা। শুরুতে অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের চারটি গ্রুপে বিভক্ত করে খেলা পরিচালনা করা হয়।

পর্যায়ক্রমে কয়েকটি রাউন্ডের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিরা নিজেদের মেধা, ধৈর্য ও কৌশলগত দক্ষতার পরিচয় দেন। প্রতিটি রাউন্ড শেষে বিজয়ীরা পরবর্তী পর্বে উত্তীর্ণ হন।বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কয়েকটি পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে মুখোমুখি হন বন্ধু আনিকা তাসনীম ও রাকিব সরকার। ফাইনালে রাকিব সরকারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন আনিকা তাসনীম।

শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।সভাপতি শবনম মুস্তারিন বলেন, ‘দাবা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি মেধা, বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য ও কৌশলগত চিন্তাভাবনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

অভিজ্ঞতায় জয়, জমজমাট ফাইনালে পিছিয়ে পড়েও চ্যাম্পিয়ন সাবিনা-কৃষ্ণাদের টাঙ্গাইল অভিজ্ঞতায় জয়, জমজমাট ফাইনালে পিছিয়ে পড়েও চ্যাম্পিয়ন সাবিনা-কৃষ্ণাদের টাঙ্গাইল প্রথম দিনে মিঠুন–নুরুলের সেঞ্চুরি প্রথম দিনে মিঠুন–নুরুলের সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে এক নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে এক নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা আবার কেন মিরপুরে এমন উইকেট আবার কেন মিরপুরে এমন উইকেট ‘মিথ্যা বলব না, হতাশ লাগে’— আম্পায়ারস কল পক্ষে না আসা প্রসঙ্গে নাজমুল ‘মিথ্যা বলব না, হতাশ লাগে’— আম্পায়ারস কল পক্ষে না আসা প্রসঙ্গে নাজমুল
advertisement

বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের সেই অতিরিক্ত ডিআইজিকে সাময়িক বরখাস্ত

বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের সেই অতিরিক্ত ডিআইজিকে সাময়িক বরখাস্ত
পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির

রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার ও ৮৫ জনকে আটকের ঘটনায় বাড়ির মালিক পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজির বাসা থেকে মাদক উদ্ধার এবং ৮৫ জনকে আটকের ঘটনায় পুলিশ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।

একই সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাঁর এ কর্মকাণ্ডকে শিষ্টাচারবহির্ভূত, অকর্মকর্তাসুলভ এবং বিভাগীয় নিয়ম-শৃঙ্খলাপরিপন্থী বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এসব কারণে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের শাস্তিযোগ্য অপরাধে তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী এখন তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হবে।

এরপর তদন্ত হবে, শুনানি হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’

‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’
গুণী সংগীতজ্ঞ শচীন দেব বর্মন ও তাঁর ছেলে রাহুল দেব বর্মন। ছবি: ফেসবুক

ছেলেকে নিয়ে শচীনকর্তার নানা অভিযোগ। ছেলে নাকি শুয়ে-বসে সময় কাটায়! শরীরচর্চায় মন নেই। নিজে অবশ্য চলতেন কড়া নিয়ম মেনে। গোছানো জীবনযাপন ছিল। প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বেরোতেন। ছেলেকেও সেই অভ্যাসে আনতে চাইতেন। বকাঝকাও করতেন। এমনই এক সকালে জুহুতে হাঁটতে বেরিয়েছেন শচীনকর্তা। পথে তাঁকে দেখে একজন বলে উঠলেন, ‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’কথাটি শুনে আনন্দে ভরে উঠল বাবার মন। বাড়ি ফিরে ছেলেকে শোনালেন ঘটনাটি।

এত দিন মানুষ তাঁকে চিনেছে এসডি বর্মন হিসেবে। আজ চিনেছে আর ডি বর্মনের বাবা বলে। ছেলের এই পরিচিতি তাঁকে গর্বিত করেছিল।ছোট কর্তা রাহুল দেববর্মন নিজেই ঘটনাটি বলেছিলেন এক সাক্ষাৎকারে। ১৯৮৪ সালের সংখ্যার ‘ফিল্মফেয়ার’-এ প্রকাশিত কথোপকথনেও পাওয়া যায় ছেলের পরিচয়ে বাবার আনন্দিত হওয়ার স্মৃতি। নিজের বিপুল খ্যাতির পাশে সন্তানের পরিচয়টিও সেদিন সানন্দে তুলে নিয়েছিলেন তিনি।আজ আপনাদের শোনাব সেই মানুষটির কথা।

বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে যিনি শচীনকর্তা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শান্তিনিবাসের প্রবীণদের সঙ্গে সোনালি বিকেল ও পিঠা উৎসব

শান্তিনিবাসের প্রবীণদের সঙ্গে সোনালি বিকেল ও পিঠা উৎসব
ফরিদপুর বন্ধুসভার একটি ভালো কাজ

ফরিদপুর বন্ধুসভার আয়োজনে শান্তিনিবাসের প্রবীণদের সঙ্গে একটি সোনালি বিকেল ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেল চারটার দিকে শহরের টেপাখোলা মহল্লায় অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত শান্তিনিবাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।সূচনা বক্তব্য দেন প্রথম আলো ফরিদপুরের নিজস্ব প্রতিবেদক প্রবীর কান্তি বালা। তিনি বলেন, ‘আগামী ৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হবে।

এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আজ আপনাদের নিয়ে বন্ধুসভার পক্ষ থেকে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হলো।’নিজের অভিব্যক্তি তুলে ধরে শান্তিনিবাসের নিবাসী শেখ সাজ্জাদ হোসেন (৭৪) বলেন, তিনি পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক ছিলেন। দুই ছেলে ও চার মেয়ের বাবা। ছেলেদের পরিচয় তিনি দিতে চান না। ছয়তলা একটি বাড়ি ছিল, যেটি ছেলেমেয়েদের নামে লিখে দিয়েছেন। এর পর থেকে তিনি গত ৯ বছর ৯ মাস এ কেন্দ্রের নিবাসী।

এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখলে তাঁর অতীতের স্মৃতি ও ছেলেমেয়েদের কথা মনে পড়ে যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন