advertisement

ব্যাথা পেলে বরফ দেব না গরম সেঁক

ব্যাথা পেলে বরফ দেব না গরম সেঁক
যদি আঘাত বেশি হয়, তাহলে ব্যথার স্থানে দ্রুত বরফের পট্টি দিতে হবে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

খেলার সময় বা অন্য কোনোভাবে ব্যথা পেলে শরীরের কোনো অংশ ফুলে যায়। হাঁটা চলাফেরায় সমস্যা হয়। এ অবস্থায় কী করা উচিত? গরম সেঁক না ঠান্ডা বরফের পট্টি লাগাব? বুঝব কীভাবে কোনটায় উপকার বেশি পাব? এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।সাধারণ ব্যথায় আমরা অনেক সময় গা লাগাই না। কিন্তু পরে দেখা যায় অসহ্য ব্যথা। তাই প্রথমেই বোঝার চেষ্টা করতে হবে ব্যথার মাত্রা কতটা।

যদি আঘাত বেশি হয়, তাহলে ব্যথার স্থানে দ্রুত বরফের পট্টি দিতে হবে। একে বলে 'ক্রায়ো থেরাপি' বা 'কোল্ড থেরাপি'। হাতের কাছে বরফ না থাকলে ঠান্ডা পানিতে এক টুকরো কাপড় ভিজিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে লাগাতে হবে।এ ক্ষেত্রে খুব পরিচিত পদ্ধতি হলো 'রাইস সিকোয়েন্স'। ইংরেজি এই শব্দের প্রতিটি অক্ষর দিয়ে গঠিত শব্দগুলো হলো, রেস্ট (বিশ্রাম), আইস (বরফ), কম্প্রেশন (চাপ) ও এলিভেশন (অবস্থার উন্নতি)।

অর্থাৎ আঘাতের মাত্রা বেশি হলে হাঁটা-চলাফেরা না করে ব্যথার স্থানে বরফ-ঠান্ডা পট্টি চেপে রেখে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিশারিঘাটে ফিরেছে ইলিশ নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিশারিঘাটে ফিরেছে ইলিশ প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী হামাসও কি ফাতাহর ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে হামাসও কি ফাতাহর ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হলে নীরব থাকবেন না ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হলে নীরব থাকবেন না হাবিলদার পোশাকে নজরুলের প্রতিকৃতি: বিদ্রোহের পূর্বমুহূর্তের নান্দনিক দলিল হাবিলদার পোশাকে নজরুলের প্রতিকৃতি: বিদ্রোহের পূর্বমুহূর্তের নান্দনিক দলিল
advertisement

নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিশারিঘাটে ফিরেছে ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিশারিঘাটে ফিরেছে ইলিশ
দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগর থেকে ধরা ইলিশ এসেছে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাটে। টুকরিতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাছ।

দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরতে নেমেছেন জেলেরা। প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাটে এসেছে ইলিশ। সাগর থেকে ধরা মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরছেন জেলেরা। এরপর শুরু হয় মাছ বাছাই, বরফ দেওয়া, প্যাকেটজাত ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি। ব্যস্ত সময় পার করছেন পাইকারি ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশের আগমনে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে ফিশারিঘাটে।দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগর থেকে ধরা ইলিশ এসেছে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাটে। টুকরিতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাছ। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের জন্য ককশিটের বাক্সে ইলিশ ভরছেন শ্রমিকেরা। মাছ সতেজ রাখতে ইলিশের ওপর দেওয়া হচ্ছে বরফ। ককশিটের বাক্সে মাছ ভরার পর লাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। ককশিটের বাক্সে মাছের নাম ও ওজন লিখে রাখছেন শ্রমিকেরা।

বাজারজাতের জন্য টুকরিতে বরফ দিয়ে ইলিশ সাজিয়ে রাখছেন শ্রমিকেরা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী

প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে উঠছে পৃথিবী
ভূমিকম্পের প্রতীকী ছবি

প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন হয়। শুনতে অবাক লাগলেও ৬০ বছর ধরে গবেষণা করেও এই স্পন্দনের সঠিক কারণ এখনো ব্যাখ্যা করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এটি কোনো হারমোনিক ঘটনা নাকি সূর্যের শক্তির কারণে তৈরি হয়, তা নিয়ে একাধিক তত্ত্ব রয়েছে। ১৯৬০ দশকের শুরুতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লামন্ট-ডোহার্টি জিওলজিক্যাল অবজারভেটরির ভূতাত্ত্বিক জ্যাক অলিভার প্রথম পৃথিবীর এই স্পন্দন বা মাইক্রোসিজম নথিভুক্ত করেন।

তবে সে সময় আধুনিক সিসমোলজিস্টদের ব্যবহৃত উন্নত যন্ত্র তাঁর কাছে ছিল না। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা জানান, গিনি উপসাগরের বাইট অব বনি নামের একটি স্থান থেকে তৈরি হচ্ছে এই স্পন্দন।কিছু গবেষকের মতে, এই স্পন্দনের পেছনে একটি সাধারণ কারণ রয়েছে। মহাসাগরের নিচে থাকা কন্টিনেন্টাল শেলফ বা মহীসোপান একটি বিশাল ঢেউ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। গিনি উপসাগরের মহীসোপানের বিশেষ স্থানে নিয়মিত সমুদ্রের ঢেউ আঘাত করায় এই স্পন্দন তৈরি হতে পারে।

বাদ্যযন্ত্রের ড্রামের মতো মহীসোপানের গঠন বিশেষ ধরনের শব্দের সৃষ্টি করছে বলে গবেষকদের ধারণা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

হামাসও কি ফাতাহর ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে

হামাসও কি ফাতাহর ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে
ফিলিস্তিনের গাজায় কুঁচকাওয়াজে হামাসের একজন যোদ্ধা

ইসরায়েলিরা যখন তাদের সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছে, ফিলিস্তিনিদের সামনে তখন কোনো ভোটের দেখাই নেই।

আগামী ২৮ নভেম্বরের ফিলিস্তিনি আইনসভা নির্বাচন হতে পারত ২০০৬ সালের জানুয়ারির পর তাদের প্রথম নির্বাচন—যখন হামাস পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল।গত ১০ অক্টোবর, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস একটি অধ্যাদেশ জারি করে নির্বাচন স্থগিত করে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে পিছিয়ে দেন এবং তাঁর নির্বাচনের সময়কাল একই তারিখে নির্ধারণ করেন।

পাঁচ বছরের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বার ভোট স্থগিত করার ঘটনা।এই একই নেতৃত্বই এখন ফিলিস্তিনি ঐক্যের শর্তাবলি নির্ধারণ করছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন