মেয়েটার নাম কী বললেন?পুলিশ অফিসার ভ্রু কুঁচকে বদরুলের দিকে তাকায়।—নাসরীন আখতার।—কী করে?—স্থপতি।—বাড়িঘর বানায়?—না না, বাড়িঘরের নকশা করে। আর্কিটেক্ট।—ওই হলো।পুলিশ অফিসার চেয়ার থেকে উঠে বাসার ভেতরের লম্বা প্যাসেজটায় এসে দাঁড়ায়। ‘ডিটেকটিভ বলেছে, এই প্যাসেজ দিয়ে টেনে মেয়েটাকে ধরে নিয়ে গেছে?’—জি।—সে কেমনে বুঝল?—তা জানি না।
উনি বললেন, নাসরীনকে আঘাত করে অজ্ঞান করে তারপর এই প্যাসেজ দিয়ে টেনে বাইরে নিয়ে গেছে।—ডিটেকটিভ এত কিছু বুঝল কীভাবে? সে কি পুলিশের চেয়ে বেশি বোঝে?—জি মানে...।—ওই ফালতু প্রাইভেট ডিটেকটিভকে ডেকেছেন, তাহলে আবার আমাদের ডেকেছেন কেন?—না, মানে, মামা বললেন...।—ও, কমিশনার স্যার তো আবার আপনাদের মামা...পুলিশ অফিসার গলায় একটা অবজ্ঞার আওয়াজ করল। বোঝাই যাচ্ছে, সে কেসটা খুব বিরক্তিসহকারে গ্রহণ করেছে।
একবারে না থাকতে পেরে বদরুলদের বাসায় এসেছে।
সূত্র: প্রথম আলো

বাংলাদেশের পাঁচ কারাবন্দী সাংবাদিকের মুক্তির আহ্বান সিপিজের
নাটোরে ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় ডিবি হেফাজতে আরও দুজন
রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ানো সেই ওসিকে আইনজীবী সমিতির নোটিশ
১৭ বছর বয়সী কিশোরের কোম্পানি মহাকাশের বড় সমস্যার সমাধান করেছে
এআই–নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন