সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান

কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান
ফ্যাশন ডিজাইনার মাহিন খান
ফটো কার্ড প্রিন্ট

বাংলাদেশের ফ্যাশন এখন শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন দেশের ডিজাইনাররা। দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের পরিবর্তন, বড় বিনিয়োগের প্রভাব, তাঁত ও কারুশিল্পের ভবিষ্যৎ এবং জামদানি নিয়ে ডিজাইনার মাহীন খানের সঙ্গে কথা বলেছেন হুমায়রা মেহজাবীনবাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে এখন কোথায় দেখেনবাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেকখানি উন্নত হয়েছে। নতুন মানুষ নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করছেন।

তবে একটি বড় সমস্যা এখনো রয়েছে—পুঁজি। ব্যবসা শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা বিশেষ করে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।করোনার সময় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবাই বড় ধাক্কা খেয়েছিল। অনেকের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেকে ভাড়া দিতে পারেননি বা কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। পরে অনলাইনে নতুনভাবে কাজ শুরু হয়।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের ফ্যাশনকে আবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

পরীমনি এখন কী করবেন পরীমনি এখন কী করবেন থাইল্যান্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম, দেখুন ৮টি ছবি থাইল্যান্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম, দেখুন ৮টি ছবি গ্রিন আপেল বাটারফ্লাই পি টির রেসিপি দেখুন গ্রিন আপেল বাটারফ্লাই পি টির রেসিপি দেখুন জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন
advertisement

একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা

একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা

চোখের আলো হারিয়েও জীবনসংগ্রামে থেমে যাননি ফারজানা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। তাঁর সংগ্রামের গল্প উঠে আসে একটি প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনই খুলে দেয় তাঁর চাকরির দরজা। কীভাবে বদলে গেল ফারজানার জীবন? দেখুন বিস্তারিত প্রতিবেদনে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী

ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী
ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত ইলহান ওমর

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইলহান ওমর। মিনেসোটার মিনিয়াপলিসের মিনেসোটা ৫ নম্বর সংসদীয় আসন থেকে তিনি কংগ্রেসে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হলেন।বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার তথ্য অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী ওমর তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী লেসি জনসনকে পরাজিত করেছেন।

ওমর ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের লেসি জনসন পেয়েছেন ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।নির্বাচনে জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইলহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, মিনেসোটা।

“জনগণের প্রতিনিধি পরিষদে” আবারও এত বিপুল জনরায় নিয়ে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’ইলহান লিখেছেন, ‘আমরা ট্রাম্পকে আমাদের কণ্ঠ থামিয়ে দিতে দেব না।’ইলহান ওমর মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সদস্য।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

তুমি ২০ মিনিট ধরে একটা খাবার কেনার লাইনে দাঁড়িয়ে আছ। খিদের চোটে তোমার পেট চোঁ চোঁ করছে। পছন্দের খাবারটি তোমার হাতে আসার ঠিক আগমুহূর্তে তুমি দেখলে সেটি শেষ হয়ে যাওয়ার অবস্থায়। অথবা কোনো কনসার্টের গেটের বাইরে ছয় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছ, যাতে সামনের সারিতে গিয়ে নিজের প্রিয় ব্যান্ডকে একদম সামনে থেকে দেখতে পারো।ঠিক তখনই দেখলে, এক অচেনা মানুষ কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে সোজা এসে তোমার সামনে লাইনে ঢুকে পড়ল।

তার কাণ্ড দেখে মনে হবে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা তোমরা সবাই বুঝি কোনো কাজ না পেয়ে শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাওয়া খাচ্ছ।যারা এভাবে নিয়ম ভেঙে সামনে চলে আসে, তারা আসলে কতটা অন্যায় করে? জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘ওয়ার ইউ রেইজড বাই উলভস?’ এর সহ–উপস্থাপক ও ভদ্রতাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নিক লেইটন বলেন, ‘এরা মূলত সমাজের নিয়মকানুনকে কোনো পাত্তাই দেয় না।’যারা এভাবে লাইনে ঢুকে পড়ে, তাদের হয়তো মনে সামান্য অপরাধবোধ কাজ করতে পারে।

তবে তার চেয়েও বড় সমস্যা হলো, আমাদের সবাইকে তাদের এই খারাপ আচরণের বিরক্তি মাথা পেতে সহ্য করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন