https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den
সূত্র: প্রথম আলো
https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den
সূত্র: প্রথম আলো
চোখের আলো হারিয়েও জীবনসংগ্রামে থেমে যাননি ফারজানা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। তাঁর সংগ্রামের গল্প উঠে আসে একটি প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনই খুলে দেয় তাঁর চাকরির দরজা। কীভাবে বদলে গেল ফারজানার জীবন? দেখুন বিস্তারিত প্রতিবেদনে।
সূত্র: প্রথম আলো
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইলহান ওমর। মিনেসোটার মিনিয়াপলিসের মিনেসোটা ৫ নম্বর সংসদীয় আসন থেকে তিনি কংগ্রেসে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হলেন।বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার তথ্য অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী ওমর তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী লেসি জনসনকে পরাজিত করেছেন।
ওমর ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের লেসি জনসন পেয়েছেন ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।নির্বাচনে জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইলহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, মিনেসোটা।
“জনগণের প্রতিনিধি পরিষদে” আবারও এত বিপুল জনরায় নিয়ে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’ইলহান লিখেছেন, ‘আমরা ট্রাম্পকে আমাদের কণ্ঠ থামিয়ে দিতে দেব না।’ইলহান ওমর মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সদস্য।
সূত্র: প্রথম আলো
তুমি ২০ মিনিট ধরে একটা খাবার কেনার লাইনে দাঁড়িয়ে আছ। খিদের চোটে তোমার পেট চোঁ চোঁ করছে। পছন্দের খাবারটি তোমার হাতে আসার ঠিক আগমুহূর্তে তুমি দেখলে সেটি শেষ হয়ে যাওয়ার অবস্থায়। অথবা কোনো কনসার্টের গেটের বাইরে ছয় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছ, যাতে সামনের সারিতে গিয়ে নিজের প্রিয় ব্যান্ডকে একদম সামনে থেকে দেখতে পারো।ঠিক তখনই দেখলে, এক অচেনা মানুষ কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে সোজা এসে তোমার সামনে লাইনে ঢুকে পড়ল।
তার কাণ্ড দেখে মনে হবে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা তোমরা সবাই বুঝি কোনো কাজ না পেয়ে শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাওয়া খাচ্ছ।যারা এভাবে নিয়ম ভেঙে সামনে চলে আসে, তারা আসলে কতটা অন্যায় করে? জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘ওয়ার ইউ রেইজড বাই উলভস?’ এর সহ–উপস্থাপক ও ভদ্রতাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নিক লেইটন বলেন, ‘এরা মূলত সমাজের নিয়মকানুনকে কোনো পাত্তাই দেয় না।’যারা এভাবে লাইনে ঢুকে পড়ে, তাদের হয়তো মনে সামান্য অপরাধবোধ কাজ করতে পারে।
তবে তার চেয়েও বড় সমস্যা হলো, আমাদের সবাইকে তাদের এই খারাপ আচরণের বিরক্তি মাথা পেতে সহ্য করতে হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন