advertisement

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসাতে যুক্তরাষ্ট্রের এত তাড়া কেন, প্রতিযোগিতায় রাশিয়া–চীনও

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসাতে যুক্তরাষ্ট্রের এত তাড়া কেন, প্রতিযোগিতায় রাশিয়া–চীনও
যুক্তরাষ্ট্র ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরি করতে চায়
ফটো কার্ড প্রিন্ট

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসানো হলে সেখানে ঘাঁটি নির্মাণ ও খনিজ উত্তোলনে বিপ্লব ঘটতে পারে। তবে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা।চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ঘোষণা দেয়, ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরি করা হবে।

অন্যদিকে রাশিয়া চীনের সঙ্গে মিলে ২০৩৬ সালের মধ্যে একই লক্ষ্য অর্জন করতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য মহাকাশ অনুসন্ধান আরও এগিয়ে নেওয়া।এ ঘোষণার পর মহাকাশে অস্ত্রের ব্যবহার এবং জিপিএস, যোগাযোগ ও গোয়েন্দা উপগ্রহের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের প্রকল্পে তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।

চালু অবস্থায় কোনো চুল্লি পৃথিবীতে ফিরে এলে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।চাঁদের গর্তে জমে থাকা বরফ উত্তোলনে এসব চুল্লির বিদ্যুৎ কাজে লাগবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ–সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৫ শতাধিক ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ–সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৫ শতাধিক ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, কী নির্দেশ দিলেন সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, কী নির্দেশ দিলেন আলোচনা চায় যুক্তরাষ্ট্র, চিঠি দিয়েছে ইরানকে : আব্বাস আরাগচি আলোচনা চায় যুক্তরাষ্ট্র, চিঠি দিয়েছে ইরানকে : আব্বাস আরাগচি সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ
advertisement

চড়া দামের আপেল

চড়া দামের আপেল

আমার বন্ধুরা খুবই অদ্ভুত, মানে এরা একটু অন্য জাতের। মানুষের বন্ধুরা যখন এদিক–সেদিক ট্যুরে যায় বা নামীদামি রেস্তোরাঁয় খেতে যায়, এরা তখন চায়ের বিলটা আজকে কে দেবে না, সেই ধান্দায় ব্যস্ত।হঠাৎ এ কথা বলার কারণ আছে। সেদিন আমার সঙ্গে খুবই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। মানে শেষ কবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে, আমার মনে নেই।

আমার বন্ধু নিয়াজ আমাকে ফোন করে বলল, ওর নাকি শরীর–মন কোনোটাই ভালো নেই, আমি বললাম, তো ডাক্তার দেখা।—দেখালাম তো, কিন্তু ডাক্তার খুব এক্সপেনসিভ প্রেসক্রিপশন দিয়েছে। আমার সাধ্যের বাইরে।—কী এমন ওষুধ দিল যেটা সাধ্যের বাইরে?—কিছু না, বাদ দে। লাবণ্য কিন্তু কাল সবাইকে ডেকেছে, খুব জরুরি নাকি! চলে আসিস, তখন বাকি কথা খুলে বলব।আমিও আর ঘাঁটালাম না। কিন্তু পরদিন নিয়াজই মিটিংয়ে ছিল না।

লাবণ্য তো রেগে আগুন!—একটা অনুরোধই তো করেছিলাম, আজ যেন সবাই থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কনসার্টের ভেন্যু–সংকট, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

কনসার্টের ভেন্যু–সংকট, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
একটি কনসার্টে গাইছেন জেমস। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে

নিরাপত্তা ছাড়পত্র না পেয়ে একের পর এক স্থগিত হচ্ছে কনসার্ট। আবার অনুমতি পাওয়ার পরও দর্শকের চাপ সামলাতে না পেরে অনুষ্ঠান বাতিল হচ্ছে, কখনো অনুমতি ছাড়াই পরিবর্তন হচ্ছে ভেন্যু, আবার কখনো টিকিট ছাড়াই ভেন্যুতে ঢুকে পড়ছেন দর্শক। সব মিলিয়ে দেশে ওপেন এয়ার কনসার্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আয়োজক, শিল্পী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বললেন মনজুর কাদেরযমুনা ফিউচার পার্কে ‘রক এন রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ কনসার্ট ছিল গত ২৩ অক্টোবর। সেখানে জেমস গান গাইতে মঞ্চে ওঠার আগেই নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে টিকিট ছাড়াই অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন শতাধিক মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে প্রধান ফটক খুলে দিতে বাধ্য হয় আয়োজক। এতে কয়েক হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আসা দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও কনসার্টের ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ দেখা যায়।এই কনসার্টের প্রভাব পরবর্তী আয়োজনেও গিয়ে পড়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বিশ্বজুড়ে গণিতবিদেরা কেন কাঁদছেন

বিশ্বজুড়ে গণিতবিদেরা কেন কাঁদছেন
গণিতের বিভিন্ন তত্ত্বকে কিছু মৌলিক স্বীকার্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিলেন গণিতবিদ ডেভিড হিলবার্ট

গণিতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের কৌতূহল, আবিষ্কারের আনন্দ, বছরের পর বছর সাধনা আর তীব্র আবেগ। এটি কেবল সংখ্যা, সূত্র বা খটমটে সমীকরণ নয়। একটি গাণিতিক সমস্যার সমাধান ঠিক হলো কি না, তা হয়তো মানুষের কান্না বা হাসি দিয়ে বোঝার কোনো উপায় নেই।

অথচ সম্প্রতি বিশ্বের নামকরা গণিতবিদেরা কেউ কেউ হতাশায় কেঁদেছেন, কেউ নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ বুঝেই উঠতে পারছেন না যে এত দিনের চেনা জগতে তাঁদের আসল জায়গাটা এখন কোথায়! গণিতের জগতে এমন আবেগঘন ও হতাশাজনক পরিস্থিতির কারণ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর ওপেনএআই এমন এক এআই মডেল থেকে পাওয়া শত শত গাণিতিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে, যা গণিতের জগতে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এসব গবেষণাপত্রে ছিল ৩৭২টি জটিল গাণিতিক সমস্যার প্রমাণ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন