advertisement

টিস্যু কোম্পানির চেয়ে আমি বেশি স্পনসর পাই চাঁদের কাছ থেকে! —তাহসান খান

টিস্যু কোম্পানির চেয়ে আমি বেশি স্পনসর পাই চাঁদের কাছ থেকে!
—তাহসান খান
ফটো কার্ড প্রিন্ট

রসালাপে আজ হাজির এমন একজন মানুষ, যাঁর গান শুনে বাংলাদেশের অর্ধেক ছেলে–মেয়ে প্রেমে পড়েছে, আর বাকি অর্ধেক ছ্যাঁকা খেয়েছে! গানে তিনি বলেন, ‘চলো না হারাই…’ কিন্তু ঢাকার জ্যামে হারাতে চাইলেও হারানো যায় না। নাটকে তিনি কাঁদেন, গানে তিনি কাঁদান। তিনি তাহসান খান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কবির বকুল।শুরুতেই একটা সিরিয়াস প্রশ্ন। আপনার ‘আলো আলো’ গানটা রিলিজ হওয়ার পর থেকেই নাকি দেশের লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেড়েছে?

মানুষ আলো না পেয়ে আপনার গান শোনে—এর পেছনে কি বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো হাত আছে?গানটা লিখেছিলাম ২০০৬ সালে। তার আগেও লোডশেডিং ছিল। পরেও আছে। আমার গানের সঙ্গে লোডশেডিংয়ের সম্পর্কটা নেহাত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি গুজব!আপনার আরেকটা কালজয়ী গান ‘ঈর্ষা’। তো, আপনি যখন আয়নায় নিজের এই এভারগ্রিন লুক আর চকলেটবয় ইমেজ দেখেন, আপনার নিজেরই কি নিজের প্রতি ‘ঈর্ষা’ হয়?

নিজেকে নিয়ে ঈর্ষা হওয়ার মতো মানসিক ব্যাধিতে ভুগলে আমার মানসিক ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াটাই জরুরি হতো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

৩৭৫ কোটি তিন দিনেই! ঝড় তুলেছে ‘রামায়ণ’ ৩৭৫ কোটি তিন দিনেই! ঝড় তুলেছে ‘রামায়ণ’ বহুলপ্রতীক্ষিত রামায়ণ সিনেমার পৌরাণিক সাজপোশাকে কেমন হলো রণবীর, সাই পল্লবী, যশ, কাজল, রাকুলপ্রীত, লারার এপিক লুক বহুলপ্রতীক্ষিত রামায়ণ সিনেমার পৌরাণিক সাজপোশাকে কেমন হলো রণবীর, সাই পল্লবী, যশ, কাজল... সালমান খানের ৪১ বার ফোন! গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকিতে থমকে যায় বিবেকের ক্যারিয়ার সালমান খানের ৪১ বার ফোন! গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকিতে থমকে যায় বিবেকের ক্যারিয়ার বিয়ে নয়, বিয়ের ছবি তোলা দরকার বিয়ে নয়, বিয়ের ছবি তোলা দরকার সেরা ৩ ‘রসালো’ কভার এবং বাছাইকৃত ‘রসালো’ কভারগুলো সেরা ৩ ‘রসালো’ কভার এবং বাছাইকৃত ‘রসালো’ কভারগুলো
advertisement

ঢাবি কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগে পেশাদার মাস্টার্স, সিজিপিএ ২.৫০ এ আবেদন

ঢাবি কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগে পেশাদার মাস্টার্স, সিজিপিএ ২.৫০ এ আবেদন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত যোগাযোগবৈকল্য বা কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগ এক বছর মেয়াদি ‘প্রফেশনাল মাস্টার্স ইন কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস’ (পিএমসিডি) প্রোগ্রামের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

এই নিয়মিত পূর্ণকালীন প্রোগ্রামটিতে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহ্বান করা হচ্ছে।শিক্ষাগত যোগ্যতাএই প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকে (সম্মান) ন্যূনতম ২.৫০ জিপিএ/সিজিপিএ অথবা দ্বিতীয় শ্রেণি বা বিভাগ থাকতে হবে, তবে শিক্ষাজীবনে কোনো তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না।

ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে বিশেষ স্কুল, হাসপাতাল বা ক্লিনিকে কর্মরত ব্যক্তি এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর পিতা–মাতাকে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

গানে গানে মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ

গানে গানে মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
৪০ মিনিটের জমজমাট পরিবেশনায় পাঁচটি গান পরিবেশন করে মেকানিক্স।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজন করা হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’। এই কনসার্ট উপভোগ করতে দুপুর থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো দর্শক। নগর বাউল জেমস, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্সের পরিবেশনায় রাত পর্যন্ত গানে গানে মুখর ছিল পুরো এলাকা।

এ নিয়ে ছবির গল্প।৪০ মিনিটের জমজমাট পরিবেশনায় পাঁচটি গান পরিবেশন করে মেকানিক্স।জনপ্রিয় সব গান পরিবেশন করে দর্শকদের মাতিয়ে তোলে শিরোনামহীন। প্রিয় ব্যান্ডের গান মুঠোফোনে ধারণ করেন দর্শকেরা। আর্টসেলের পরিবেশনা। কনসার্টের মঞ্চ মাতায় ফিডব্যাক।কনসার্টে আসা দর্শকেরা।দর্শক মাতায় ওয়ারফেজ। ‘জ্বালা জ্বালা’ দিয়ে পরিবেশনা শুরু করে মাইলস। ‘ফিরিয়ে দাও’ দিয়ে শেষ হয় তাদের পরিবেশনা।মঞ্চে নগর বাউল জেমসের পরিবেশনা।

কনসার্টে গানের তালে মেতে ওঠেন দর্শকেরা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

‘এক ছেলেকে কবরে শুইয়ে এসেছি, আরেক ছেলেও যদি চলে যায়, আমি কী নিয়ে থাকব’

‘এক ছেলেকে কবরে শুইয়ে এসেছি, আরেক ছেলেও যদি চলে যায়, আমি কী নিয়ে থাকব’
বাবার কোলে ১০ মাসের মোহাম্মদ আবু বক্কর। সম্প্রতি তোলা

‘আমার ছেলেটা কষ্ট পাচ্ছে, লাইফ সাপোর্টে আছে। শুধু হার্টবিটটা (হৃৎস্পন্দন) আছে তার। ডাক্তাররা কোনো আশা দিতে পারতেছেন না। আজ সকালে ছেলেটাকে দেখাইছে। বুকটা কেঁপে উঠছে ভাই, আমার। এক ছেলেকে কবরে শুইয়ে এসেছি, আরেক ছেলেও যদি চলে যায়, আমি কী নিয়ে থাকব?’কথাগুলো বলছিলেন মোহাম্মদ কবির। তাঁর ১০ মাস বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আবু বক্কর চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

হাম, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসা চলছে। একই তিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র দুই দিন আগে মারা গেছে কবিরের বড় ছেলে নূর মোহাম্মদ আরাফাত (১০)। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে কবরে শুইয়ে এসেছেন বাবা। এখন ছোট ছেলেকে বাঁচাতে প্রাণপণ চেষ্টা তাঁর।আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে কথা হয় মোহাম্মদ কবিরের সঙ্গে। তখনো হাসপাতালেই ছিলেন তিনি।

কয়েক দিন ধরে দুই সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে ছোটাছুটি, নির্ঘুম রাত আর বড় ছেলেকে হারানোর শোকে বিপর্যস্ত এই বাবা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন