জুন মাসের ২৬ তারিখ। শনিবার। আকাশ সকাল থেকে মেঘলা। মনে হচ্ছে শহরের ওপর কেউ ভেজা, ভারী কম্বল চাপিয়ে দিয়েছে। বাতাসে গুমোট ভাব। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। আচমকা শুরু হয়েছে বৃষ্টি—আকাশভাঙা একটানা, বিরামহীন বৃষ্টি। আমরা হাহা হিহি করছি। সবাই একসাথে কথা বলছি। কে কার কথা শুনছে বা আদৌ শুনছে কি না, বোঝা যাচ্ছে না। আমাদের ফ্যামিলি গেট-টুগেদার হচ্ছে। বিশাল কিছু নয়, হালকা ধরনের আয়োজন।
এ রকম আয়োজন আমাদের ফ্যামিলিতে প্রায় প্রতিবছরই হয়। কোনো এক উপলক্ষ জুটিয়ে নিয়ে আমরা ফ্যামিলির সবাই একসাথে হয়ে যাই। জারা এক পিস কেক এনে আমাকে দিয়েছে। বললাম, ‘কেক খেতে চাইছি না রে। ক্রিম অ্যাভয়েড করতে চাইছি।’ জারা বলল, ‘তুমি পুরোপুরি পারফেকশনিস্ট। এত মাপজোখ করে লাইফ লিড করা যায়!’ জারা আমার চাচাতো বোন। আমি হাসলাম। হেসে বললাম, ‘আমার প্রফেশন আমাকে এভাবেই শেপ-আপ করে ফেলেছে।
সব সময় মানুষের জন্য মিথ্যা স্বপ্ন লিখি, এই ফোনটা কিনলেই জীবন বদলে যাবে, এই কফি খেলেই সকালটা সুন্দর হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

বাংলাদেশের পাঁচ কারাবন্দী সাংবাদিকের মুক্তির আহ্বান সিপিজের
নাটোরে ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় ডিবি হেফাজতে আরও দুজন
রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ানো সেই ওসিকে আইনজীবী সমিতির নোটিশ
১৭ বছর বয়সী কিশোরের কোম্পানি মহাকাশের বড় সমস্যার সমাধান করেছে
এআই–নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন