সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

অবশেষে ট্রাম্পবাদের মরণঘণ্টা বাজল

অবশেষে ট্রাম্পবাদের মরণঘণ্টা বাজল
তেহরানে সাবেক মার্কিন দূতাবাসের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে একজন ইরানি নাগরিককে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিযুক্ত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়। ৪ নভেম্বর, ২০২৬
ফটো কার্ড প্রিন্ট

কম প্রত্যাশার মধ্যে একধরনের স্বাধীনতা থাকে। মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যাওয়ার আগে রিপাবলিকানদের জন্য পূর্বাভাসগুলো এতটাই হতাশাজনক ছিল যে মতামত জরিপ পর্যবেক্ষণকারীরা একপ্রকার রসিকতা শুরু করেছিলেন—এই ফলাফলের অর্থ হবে হয় ট্রাম্প–যুগের অবসান, না হয় জরিপ ব্যবস্থার অবসান।এমন পূর্বাভাসের মধ্যে রিপাবলিকানদের যেকোনো জয়কেই এক অলৌকিক ঘটনা বলে মনে হতো।

প্রত্যাশা ছিল ডেমোক্র্যাটরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবে; আর রিপাবলিকানরা ভেবেছিল যে মূল গণনা কিছুটা মিশ্র হলেও তারা অন্তত দাবি করার সুযোগ পাবে যে সবাই যতটা খারাপ ভেবেছিল তারা ততটা খারাপ করেনি।তবে আজকে আর সেই দাবিগুলোর মূল্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ভোটাররা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রতি অসন্তোষের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন এবং তাঁর ক্ষমতা খর্ব করার পক্ষে একচ্ছত্র রায় দিয়েছেন।এখন সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবেন, তাদের নিজস্ব এজেন্ডাগুলোকে প্রকাশ্যে আনতে পারবেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক অধিকার বজায় রাখতে পারবেন এবং রিপাবলিকানদের বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকে দিতে পারবেন।ট্রাম্প কি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মানবেনমধ্যবর্তী নির্বাচনেই কি শেষ হবে ট্রাম্প-যুগ আগামী দিন এবং সপ্তাহগুলোয় ট্রাম্প কখনো বলবেন যে রিপাবলিকানদের এই পরাজয় আসলে ভুয়া—এটি ডেমোক্র্যাট এবং অ...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ২৩৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম—কে এই আবদুল আল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ২৩৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম—কে এই আবদুল আল-সাইয়েদ
advertisement

একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা

একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা

চোখের আলো হারিয়েও জীবনসংগ্রামে থেমে যাননি ফারজানা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। তাঁর সংগ্রামের গল্প উঠে আসে একটি প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনই খুলে দেয় তাঁর চাকরির দরজা। কীভাবে বদলে গেল ফারজানার জীবন? দেখুন বিস্তারিত প্রতিবেদনে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী

ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী
ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত ইলহান ওমর

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইলহান ওমর। মিনেসোটার মিনিয়াপলিসের মিনেসোটা ৫ নম্বর সংসদীয় আসন থেকে তিনি কংগ্রেসে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হলেন।বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, ৯৯ শতাংশ ভোট গণনার তথ্য অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী ওমর তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী লেসি জনসনকে পরাজিত করেছেন।

ওমর ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের লেসি জনসন পেয়েছেন ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।নির্বাচনে জয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইলহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, মিনেসোটা।

“জনগণের প্রতিনিধি পরিষদে” আবারও এত বিপুল জনরায় নিয়ে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’ইলহান লিখেছেন, ‘আমরা ট্রাম্পকে আমাদের কণ্ঠ থামিয়ে দিতে দেব না।’ইলহান ওমর মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সদস্য।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

তুমি ২০ মিনিট ধরে একটা খাবার কেনার লাইনে দাঁড়িয়ে আছ। খিদের চোটে তোমার পেট চোঁ চোঁ করছে। পছন্দের খাবারটি তোমার হাতে আসার ঠিক আগমুহূর্তে তুমি দেখলে সেটি শেষ হয়ে যাওয়ার অবস্থায়। অথবা কোনো কনসার্টের গেটের বাইরে ছয় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছ, যাতে সামনের সারিতে গিয়ে নিজের প্রিয় ব্যান্ডকে একদম সামনে থেকে দেখতে পারো।ঠিক তখনই দেখলে, এক অচেনা মানুষ কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে সোজা এসে তোমার সামনে লাইনে ঢুকে পড়ল।

তার কাণ্ড দেখে মনে হবে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা তোমরা সবাই বুঝি কোনো কাজ না পেয়ে শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাওয়া খাচ্ছ।যারা এভাবে নিয়ম ভেঙে সামনে চলে আসে, তারা আসলে কতটা অন্যায় করে? জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘ওয়ার ইউ রেইজড বাই উলভস?’ এর সহ–উপস্থাপক ও ভদ্রতাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নিক লেইটন বলেন, ‘এরা মূলত সমাজের নিয়মকানুনকে কোনো পাত্তাই দেয় না।’যারা এভাবে লাইনে ঢুকে পড়ে, তাদের হয়তো মনে সামান্য অপরাধবোধ কাজ করতে পারে।

তবে তার চেয়েও বড় সমস্যা হলো, আমাদের সবাইকে তাদের এই খারাপ আচরণের বিরক্তি মাথা পেতে সহ্য করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন