স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময় ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমরা স্বাগত জানাই। এই বাড়তি তিন বছর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
এ সময়ে অর্থনীতির বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠা, অর্জনগুলো ধরে রাখা আর উত্তরণ-পরবর্তী কঠিন প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।বাংলাদেশের মানুষ প্রতিকূলতা মোকাবিলা ও ঘুরে দাঁড়ানোর অসাধারণ সক্ষমতার মধ্য দিয়ে দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। সেই সঙ্গে ছিল উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ, রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও ধারাবাহিকভাবে মানবসম্পদের বিকাশ।
তাই উত্তরণের সময় পিছিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই পেছনে ফিরে যাওয়া হিসেবে দেখা উচিত নয়; বরং যেটা করতে হবে সেটা হলো, এই সময় কাজে লাগিয়ে অর্থনীতির ভিত আরও শক্ত করা।এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবেশ অনেকটাই বদলে যাবে।
সূত্র: প্রথম আলো

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন সাবেক শিক্ষক
১০টি বিষয় মানলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব
এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন
দুই হাত হারিয়েও থামেননি মেহেরাব—কনুই দিয়ে চালান চায়ের দোকান
২০২৬ সাল কি গণতন্ত্রের ঘুরে দাঁড়ানোর বছর

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন