কেউ ব্যস্ত রেকর্ড খোঁজায়, কেউ পদক গলায় কোচের সঙ্গে সেলফি তুলতে। কারও হাতে লাল-সবুজ পতাকা। মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্সে গতকাল ৩৫তম জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতার শেষ দিনের দৃশ্যটা ছিল এমনই। জাতীয় পর্যায়ে সাফল্যের আনন্দে মেতে উঠেছিলেন সাঁতারুরা।আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এই ছবিই আবার বদলে যায়। তখন আক্ষেপ শোনা যায়, ‘ইশ্!
যদি আরেকটু ভালো টাইমিং হতো।’ কিংবা আরও ভালো প্রস্তুতি না নেওয়ার হতাশায় ডোবেন প্রতিযোগীরা।এই আক্ষেপ দূর করতে ঘরোয়া প্রতিযোগিতাতেই আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা জরুরি। ৩৫তম জাতীয় সাঁতারের ফলাফল বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলেও বাংলাদেশের সাঁতারুদের টাইমিংয়ে উন্নতির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
আগামী বছর পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় এসএ গেমসের আগে সেই ঘাটতিই সামনে এনেছে এই জাতীয় সাঁতার।প্রতিযোগিতায় সাতটি সোনা জিতে সেরা পুরুষ সাঁতারু হয়েছেন সামিউল ইসলাম রাফি।
সূত্র: প্রথম আলো

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন সাবেক শিক্ষক
১০টি বিষয় মানলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব
এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন
দুই হাত হারিয়েও থামেননি মেহেরাব—কনুই দিয়ে চালান চায়ের দোকান
২০২৬ সাল কি গণতন্ত্রের ঘুরে দাঁড়ানোর বছর

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন