advertisement

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ
শিল্পকারখানার কাঁচামালসহ নানা ধরনের পণ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা ট্রাকের সারি। আজ বৃহস্পতিবার ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

শিল্পকারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ৭০০ থেকে ৭৫০টি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আটকে রয়েছে। নানা জটিলতায় যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য প্রবেশ করতে তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগছে এবং এতে অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ আমদানিকারকদের। অন্যদিকে ভারতের পেট্রাপোলে বিপুলসংখ্যক ট্রাক আটকে থাকার তথ্য মানতে রাজি নন বেনাপোল কাস্টমসের কর্মকর্তারা।

তাঁদের দাবি, বর্তমানে সেখানে ৩৫০টির মতো ট্রাক আটকে আছে, যা স্বাভাবিক সময়ের মতোই। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটির পর গত শনিবার থেকে উভয় দেশের এ দুটি স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। এ ছাড়া সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর বেনাপোল স্থলবন্দরে ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভার বন্ধ থাকায় জট আরও বেড়ে যায়।

সব মিলিয়ে দুর্গাপূজার ছুটির সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় ১ হাজার ৪০০ পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছিল বলে জানান দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বেনাপোল কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া এফটিএর প্রথম আলোচনা শেষ, জানুয়ারিতে কুয়ালালালামপুরে আবার দর–কষাকষি বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া এফটিএর প্রথম আলোচনা শেষ, জানুয়ারিতে কুয়ালালালামপুরে আবার দর–কষাকষ... চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন
advertisement

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

তুমি কি কখনো লবণ, গোলমরিচ, নিমের ডাল বা পোড়া ছাই দিয়ে দাঁত মেজেছ? টিউবের টুথপেস্ট ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হলে এই কথাগুলো শুনলে অদ্ভুত বা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে শত শত বছর ধরে মানুষ মুখ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের পদ্ধতিই ব্যবহার করে এসেছে।

আর সেগুলোর কাজ আজকের দোকান থেকে কিনে আনা টুথপেস্টের চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিল না।পুরোনো দিনের টুথপেস্টে লবণ বা ছাইয়ের মতো খসখসে বা ঘর্ষণকারী উপাদান থাকত, যা ঘষে দাঁতের ময়লা দূর করতে সাহায্য করত। বর্তমানের বাজারে পাওয়া টুথপেস্টেও এমন উপাদান থাকে। তবে আধুনিক টুথপেস্টে ডিমের খোসা গুঁড়া বা পিউমিস পাথরের মতো ক্ষতিকর উপাদানের বদলে হাইড্রেটেড সিলিকার মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা দাঁতের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

তবে টুথব্রাশের ইতিহাস জানার আগে জানা দরকার টুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে।চিনি যদি দাঁতের জন্য খারাপ হয়, তাহলে টুথপেস্ট মিষ্টি কেনটুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে?টুথপেস্ট মুখ সতেজ ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব
মানুষ আসলে সর্বভূক

মানুষ কি প্রকৃতিগতভাবে নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিজ্ঞান কী বলে, আর সুস্থ থাকতে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে কী থাকা উচিত?আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক হয়, তার মধ্যে একটি হলো মানুষ কি নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসাভিত্তিক জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা। কেউ বলেন, প্রাণিজ আমিষ বা মাছ-মাংস খাওয়া উচিত নয়।

আবার কেউ উৎসাহ দেন প্রচুর মাংস ও চর্বি খেতে। এসব মতামত সামনে এলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কেউ অসুস্থ হলে তো কথাই নেই—একজন রোগীকে ঘিরে সবাই যেন চিকিৎসক হয়ে ওঠেন। আমাদের সামাজিক আচরণের এ প্রবণতা পরিচিত।কিন্তু মানুষ আসলে কী ধরনের খাদ্য গ্রহণের উপযোগী? বিজ্ঞানের উত্তর স্পষ্ট: মানুষ সর্বভুক। অর্থাৎ মানুষের শরীর উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—উভয় উৎসের খাবার থেকেই পুষ্টি গ্রহণ করতে সক্ষম।

তবে সর্বভুক হওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রচুর মাংস খেতেই হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কাকফাঁকা এক সকালে!

কাকফাঁকা এক সকালে!

অবাক কাণ্ড! ঘুম ভাঙার পর থেকে এ পর্যন্ত একবারও কারেন্ট রেস্ট নিতে যায়নি। হচ্ছেটা কী? তারে এত কারেন্ট! নাকি নিজের মাথার তার ছিঁড়ে গেছে? পাগল হয়ে যাচ্ছেন না তো? আয়হায়, এই টানাটানির সংসারে পাগল হয়ে গেলে তাকে পালবে কে?সাতসকালে কা–কা! এটা কি ঢাকা?মকবুল সাহেব চোখ বন্ধ করে বোঝার চেষ্টা করলেন। ঢাকা শহরে এখন তো আর কাকডাকা ভোর নেই। এখন সকাল হয় মুঠোফোনের প্যাঁ–পোঁ শব্দে। তবে কি ভুল শুনলেন?

আধবোজা চোখে জানালার পর্দা সরিয়ে দেখলেন, ৫/৬টা কাক কারেন্টের তারে বসে মিটিং করছে। মাঝেমধ্যে ঘাড় ঘুরিয়ে কা–কা করে গুডমর্নিং অ্যালার্মও দিচ্ছে।মনকাড়া এ দৃশ্য উপভোগের পর মুখ ধুতে বাথরুমে ঢুকলেন মকবুল। মুখ ধোয়ার পর মনে হলো, আরে, বেসিনের কলে পানি এল কী করে? এখন তো বালতির জমানো পানি দিয়েই সব কাজ সারতে হয়। তবে?কাকডাকা সকালে কাকস্নানের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে ভাবাভাবিতে সময় নষ্ট করলেন না মকবুল।

ছাড়লেন শাওয়ার, কাটিয়ে দিলেন হাফ অ্যান আওয়ার।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন