নাফিউল আলম২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সংস্কারের দাবি ছিল রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্ক বদলানোর দাবি। মানুষ এমন পুলিশ চেয়েছিল, যার কাছে অভিযোগ জানাতে রাজনৈতিক পরিচয় লাগে না, যার হেফাজতে নিরাপত্তা থাকে এবং যার অপরাধেরও বিচার হয়। দুই বছর পর আইন বদলেছে, কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ এসেছে, র্যাবের জায়গায় এসআরবি হয়েছে।
কিন্তু দৈনন্দিন পুলিশিংয়ে কতটা পরিবর্তন এসেছে?জুলাই ও আগস্টের ঘটনাবলি নিয়ে জাতিসংঘের অনুসন্ধান রাজনৈতিক নির্দেশনায় দমন, বেআইনি হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার আটক ও নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরেছে। ফলে সমস্যা কেবল কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বিচ্যুতি ছিল না। এমন একটি ব্যবস্থাও দায়ী ছিল, যেখানে ক্ষমতাসীনদের নির্দেশ অমান্য করার ঝুঁকি নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকির চেয়ে বড় হয়ে উঠেছিল।
সংস্কারের লক্ষ্য হওয়া দরকার সেই প্রণোদনা ও দায়মুক্তির ব্যবস্থা বদলানো।পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ৩ ধারায় পুলিশের তত্ত্বাবধান সরকারের হাতে ন্যস্ত।
সূত্র: প্রথম আলো

সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধ, কেনিয়ার শরণার্থী শিবির পেরিয়ে প্রথম হিজাব পরা নারী মার্কিন কংগ্র...
মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার হয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন হাকিম জেফ্রিস
নাগরিক সচেতনতায় মশার প্রজননস্থলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব: ডিএসসিসি
প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সেরা কর্মী যাঁরা
গণ–অভ্যুত্থানের পর কারাগার থেকে পালিয়ে ছদ্মবেশ ধরেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, অবশেষে...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন