সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল বেরোবি শিক্ষার্থী জুলাইযোদ্ধা চন্দন সূত্রধরের

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল বেরোবি শিক্ষার্থী জুলাইযোদ্ধা চন্দন সূত্রধরের
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

পাওনা টাকার জেরে তাঁতীদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে পাওনা টাকার জেরে তাঁতীদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল মর্টার শেল কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল মর্টার শেল ৩৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ৪৬, সবাই ফেল ৩৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ৪৬, সবাই ফেল লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে টেইলার্স ব্যবসায়ীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে টেইলার্স ব্যবসায়ীর মৃত্যু ডেমরায় ব্যাডমিন্টন খেলার সময় ছুরিকাঘাতে আহত ৪ ডেমরায় ব্যাডমিন্টন খেলার সময় ছুরিকাঘাতে আহত ৪
advertisement

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ
হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার একটি জাহাজ থেকে ধোঁয়া উঠছে

হরমুজ প্রণালিতে অনুমোদনহীন পথে চলাচলের সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। গতকাল রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, জাহাজ দুটি প্রণালিতে চলাচলের জন্য নির্ধারিত অনুমোদিত পথ ব্যবহার করেনি। এ সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লাগলে সেগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে।

তবে জাহাজ দুটির নাম, কোন দেশের পতাকাবাহী এবং হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। এ দাবির সত্যতাও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। দেশটি জাহাজগুলোকে নিজেদের নির্ধারিত পথ ব্যবহার করতে বলছে। অনুমতি ছাড়া চলাচলকারী জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে, ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

পাওনা টাকার জেরে তাঁতীদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

পাওনা টাকার জেরে তাঁতীদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

খুলনায় পাওনা ১০ হাজার টাকা নিয়ে তর্ক বিতর্কের জেরে মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে (৫২) হত্যার অভিযোগ উঠেছে...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি
রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে মাইন অপসারণের সময় বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া উড়ছে

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ওলেশকি শহরকে ঘিরে কার্যকর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে এ যুদ্ধবিরতি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা। যুদ্ধের শুরু থেকে এটিই ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের স্থানীয় যুদ্ধবিরতি।ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেৎস বলেন, ২৭ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল।

রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করে। সে সময় রুশ সেনারা ওলেশকি শহরটি দখলে নেয়। শহরটি নিপার নদীর বাম তীরে, খেরসন শহরের বিপরীত পাশে অবস্থিত। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইউক্রেনীয় বাহিনী খেরসন শহর ও নদীর পশ্চিম তীরের এলাকা পুনর্দখল করলেও ওলেশকি রুশ নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।যুদ্ধের কারণে শহরটিতে বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট দেখা দেয়।

শহরটিতে থাকা প্রায় ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং যাঁরা চলে যেতে চান, তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়।গত ২৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প জানান, ওলেশকিতে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন