সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

বাংলাদেশের হাতে সময় ১৯ বছর, এরপর কমবে জনমিতিক সুবিধা

বাংলাদেশের হাতে সময় ১৯ বছর, এরপর কমবে জনমিতিক সুবিধা
হোসেন জিল্লুর রহমান
ফটো কার্ড প্রিন্ট

জনসংখ্যার বয়সভিত্তিক কাঠামো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এত দিন বড় সুযোগ তৈরি করেছে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, কমেছে নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর অনুপাত। এতে উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এ সুবিধা চিরস্থায়ী নয়। আগামী দুই দশকে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে কমতে শুরু করবে। একই সময়ে বাড়বে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা।

ফলে একদিকে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, অন্যদিকে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চাপ তৈরি হবে।বিশ্বব্যাংকের নতুন এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জনসংখ্যাগত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের জন্য এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।অর্থনীতিবিদ ও জনসংখ্যা তাত্ত্বিকেরা বলছেন, বাংলাদেশের সামনে জটিল সময়। সেই সময়কে কাজে না লাগাতে পারলে জনমিতির সুবিধা একটি বোঝা হয়ে যাবে।

এর আর্থসামাজিক প্রভাব মারাত্মক হতে পারে।বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জনমিতির চিত্র‘ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ ইন সাউথ এশিয়া: ফ্রম টেইলউইন্ডস টু হেডউইন্ডস ফর ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন বিশ্বব্যাংকের আটজন গবেষক ও বিশেষজ্ঞ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষ... এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই এআইতে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং কেন গুরুত্বপূর্ণ এআইতে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং কেন গুরুত্বপূর্ণ হ্যালোইন থিমে শানায়ার জন্মদিন: খুশি, সুহানা, অনন্যাদের নিয়ে ডাইনি সাজে কাটলেন কেক হ্যালোইন থিমে শানায়ার জন্মদিন: খুশি, সুহানা, অনন্যাদের নিয়ে ডাইনি সাজে কাটলেন কেক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর...
advertisement

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অতীতে খাতা মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিংয়ের মতো অসংগতি ছিল, যা দূর করে মূল্যায়নে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাশাপাশি ফেল করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এক বা দুই বিষয়ে দ্রুত মানোন্নয়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষের সময় নষ্ট না হয়।গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এবং স্বজনপ্রীতি ও কৃত্রিমতা পরিহার করে মেধাভিত্তিক মূল্যায়নব্যবস্থা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শিক্ষকদের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই

এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই
ছবি: মাহমুদুল হাসান খলিফা

ছবি: মাহমুদুল হাসান খলিফাছবি তোলার জন্য শহরের এদিক–ওদিক ঘুরে বেড়াই। মানুষের জীবন, জীবনের বৈচিত্র্য, আনন্দ–বেদনা আর প্রতিদিনের ছোট ছোট গল্পগুলো ক্যামেরায় ধরে রাখার চেষ্টা করি। সেদিনও ইচ্ছা হলো, গোলাপবাগ মাঠে গিয়ে শিশুদের খেলাধুলার কিছু ছবি তুলব। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। চলে গেলাম মাঠে। কয়েকটি ছবিও তুললাম। মাঠের চারপাশে হাঁটার জন্য তৈরি পথ ধরে হাঁটছিলাম, আর সুযোগ বুঝে ক্যামেরায় বন্দী করছিলাম মুহূর্তগুলো।

হঠাৎ একটা দৃশ্যে চোখ আটকে গেল।মাঠের পাশে একটি ছেলে বসে আছে। তার হাতে হাওয়াই মিঠাইয়ের গুচ্ছ। মাঠের ভেতরে সমবয়সী শিশুরা খেলছে, ছুটছে, হাসছে। আর ছেলেটি বসে বসে তাদের খেলা দেখছে। তার চোখের সামনে একটা মাঠ, কিছু শিশু আর একটুকরা শৈশব; যে শৈশবের অংশ হওয়ার ইচ্ছা হয়তো তারও আছে, কিন্তু সেই ইচ্ছার চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে জীবিকার তাগিদ। দৃশ্যটি দেখে কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়ালাম।

তারপর ক্যামেরাটি হাতে তুলে ছেলেটির কয়েকটি ছবি নিলাম।তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তোমার খেলতে ইচ্ছা করে না?’ ছেলেটি উত্তর দিল, ‘খেললে খাব কী, স্যার?

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মণিপুরে সহিংসতা বিজেপি সরকারের ব্যর্থতার ফল: কংগ্রেস

মণিপুরে সহিংসতা বিজেপি সরকারের ব্যর্থতার ফল: কংগ্রেস
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যের ইম্ফলে চলমান নিরাপত্তা সংকট ও অঞ্চলটিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন হাজারও মানুষ। ৩১ অক্টোবর ২০২৬। সমাবেশটির আয়োজন করে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের জোট কো-অর্ডিনেটিং কমিটি অন মণিপুর ইন্টেগ্রিটি (কোকোমি)

ভারতের উত্তর-পূর্বের সীমান্ত রাজ্য মণিপুরে দীর্ঘমেয়াদি সহিংসতার জন্য শাসক দল বিজেপিকে দায়ী করেছে দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেস। তারা বলেছে, সরকারের চরম উদাসীনতা, রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যের কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য প্রশাসনের চূড়ান্ত গাফিলতিকে দায়ী করে ২০২৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে মণিপুরে রাজনৈতিক পালাবদলের ডাক দিয়েছে শীর্ষ কংগ্রেস নেতৃত্ব।গতকাল সোমবার দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে মণিপুর প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠক ডাকেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

এই বৈঠকে মণিপুরের বর্তমান সামাজিক-রাজনৈতিক ও রাজনৈতিক নিরাপত্তাব্যবস্থার সার্বিক পর্যালোচনার পাশাপাশি রাজ্যের চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে জোরালো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন