advertisement

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব
মানুষ আসলে সর্বভূক
ফটো কার্ড প্রিন্ট

মানুষ কি প্রকৃতিগতভাবে নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিজ্ঞান কী বলে, আর সুস্থ থাকতে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে কী থাকা উচিত?আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক হয়, তার মধ্যে একটি হলো মানুষ কি নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসাভিত্তিক জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা। কেউ বলেন, প্রাণিজ আমিষ বা মাছ-মাংস খাওয়া উচিত নয়।

আবার কেউ উৎসাহ দেন প্রচুর মাংস ও চর্বি খেতে। এসব মতামত সামনে এলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কেউ অসুস্থ হলে তো কথাই নেই—একজন রোগীকে ঘিরে সবাই যেন চিকিৎসক হয়ে ওঠেন। আমাদের সামাজিক আচরণের এ প্রবণতা পরিচিত।কিন্তু মানুষ আসলে কী ধরনের খাদ্য গ্রহণের উপযোগী? বিজ্ঞানের উত্তর স্পষ্ট: মানুষ সর্বভুক। অর্থাৎ মানুষের শরীর উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—উভয় উৎসের খাবার থেকেই পুষ্টি গ্রহণ করতে সক্ষম।

তবে সর্বভুক হওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রচুর মাংস খেতেই হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হলে কী করবে? স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হলে কী করবে? নিজের পোশাক ও যত্নে কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেন শেহতাজ, দেখুন ৯টি ছবি নিজের পোশাক ও যত্নে কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেন শেহতাজ, দেখুন ৯টি ছবি সুন্দরবনের সুরক্ষা ও পানির সংকট নিরসনে বরাদ্দের দাবি সুন্দরবনের সুরক্ষা ও পানির সংকট নিরসনে বরাদ্দের দাবি ২৮-এ অনন্যা পাণ্ডে, ফ্যাশনে কেন আলাদা এই জেন-জি সেনসেশন ২৮-এ অনন্যা পাণ্ডে, ফ্যাশনে কেন আলাদা এই জেন-জি সেনসেশন বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, 
আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া
advertisement

চায়না দুয়ারির ফাঁদে হাওড়ের মাছ, অভিযানেও মিলছে না সুফল

চায়না দুয়ারির ফাঁদে হাওড়ের মাছ, অভিযানেও মিলছে না সুফল

নেত্রকোনার ছোট বড় ১৩৪ হাওরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালে নিধন হচ্ছে বিভিন্ন মাছসহ জলজ প্রাণী। প্রতিটি হাওরে শত শত জালে শেষ হচ্ছে মিঠা পানির মাছ...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে চার তেলবাহী জাহাজে আগুন

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে চার তেলবাহী জাহাজে আগুন
হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার একটি জাহাজ থেকে ধোঁয়া উঠছে

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করার সময় মাইন বিস্ফোরণে চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘটনার এক দিন আগেই মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছিল, প্রণালিটি থেকে মাইন অপসারণ করে তারা জাহাজ চলাচলের পথ পরিষ্কার করেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মাইন বিস্ফোরণে তিনটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে।

জাহাজগুলো প্রণালির দক্ষিণ দিকের অনুমোদনহীন পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।মাইন বিস্ফোরণে প্রণালির পূর্ব দিকে আরেকটি তেলবাহী জাহাজে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। জাহাজটি প্রণালির সংরক্ষিত ও বিপজ্জনক এলাকা দিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করছিল।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় মাইন বিস্ফোরণে একাধিক জাহাজে আগুন ধরার খবর দিয়েছে ইরান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলটিতে সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও দাবি করেছে, তারা জাহাজ চলাচলের প্রধান পথগুলো থেকে সব মাইন অপসারণ করেছে।আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম তিনটি জাহাজ তাদের রাডার ও নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ করে রেখেছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হলে কী করবে?

স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হলে কী করবে?
স্কুলে বুলিংয়ের শিকার অনেকেই পরবর্তী জীবনে অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডারে ভোগেন

স্কুল মানে পড়াশোনা। পাশাপাশি এখানে নতুন বন্ধু হয়, খেলাধুলা চলে, জমে আড্ডা। কিন্তু কখনো কখনো এসব আনন্দ মাটি হয়ে যায় বুলিংয়ের কারণে। কেউ হয়তো গায়ের রং নিয়ে খোঁটা দেয়, কেউ শরীরের গড়ন নিয়ে হাসাহাসি করে। কেউ আবার ধাক্কা দেয়, জিনিসপত্র কেড়ে নেয় কিংবা অন্যদের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়। এমন ঘটনা শুধু মন খারাপের কারণ নয়, দীর্ঘদিনের জন্য মনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

কিশোর আলোতে প্রকাশিত ‘বুলিং নিয়ে তুমি কতটা সচেতন’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি চারজন শিক্ষার্থীর মধ্যে অন্তত একজন জীবনের কোনো না কোনো সময় স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হয়।বুলিং কী?ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে ভয় দেখানো, অপমান করা কিংবা কষ্ট দেওয়াকে বুলিং বলে। এটি হতে পারে শারীরিক, আবার মানসিকও।

২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বুলিং শারীরিক, মানসিক উভয়ই হতে পারে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন