advertisement

গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান

গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান
ফটো কার্ড প্রিন্ট

একটি বহুল প্রচলিত দৃশ্য হলো—চলাফেরার সময় অসাবধানতাবশত কারও গায়ে বা পায়ে পা লেগে গেলে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে নিজের হাত বুকে বা কপালে ঠেকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন; যাকে ‘সালাম’ বা ‘সেলাম’ বলা হয়।অনেকে আবার যার গায়ে পা লেগেছে, তাঁর শরীর ছুঁয়ে নিজের হাতে চুমু খান। লোকসমাজে এটিকে শিষ্টাচারের অন্যতম অংশ মনে করা হলেও, ইসলামে কি গায়ে পা লাগলে সালাম করার বা এ ধরনের শারীরিক ভঙ্গি করার কোনো বিধান রয়েছে?

বিশ্লেষণ করা হলো।ইসলামে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মান ইসলামে বড়দের সম্মান করা ও ছোটদের স্নেহ করা মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

মহানবী (সা.) বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর জোর দিয়েছেন।তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান ও অধিকার চেনে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯১৯)তাই কারও গায়ে পা লাগলে লজ্জিত হওয়া বা বিনয় প্রকাশ করা মূলত ইসলামি শিষ্টাচার ও সুন্দর চরিত্রের আলামত।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ? জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ? টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী এসআরবির অভিযানের সময় তরুণের মৃত্যু, 
গুলি করেছে কে এসআরবির অভিযানের সময় তরুণের মৃত্যু, গুলি করেছে কে
advertisement

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?
ভূমি অফিসের নিবন্ধন বই

মান্ধাতা আজকের মানুষ নন। বহু আগের। পৌরাণিক কাহিনির অযোধ্যা নগরের রাজা। রামায়ণ রচনার বহু বছর পরও তারই নাম বলা হয়; বলা হয় ‘মান্ধাতার আমল’। এটা যেন চোখ বন্ধ রেখে অযথা পুরানোকে আঁকড়ে ধরার অদ্ভুত এক মানসিকতা। যুগ বদলে গেছে। বদলে গেছে মানুষের চাওয়া, পাওয়া, রুচি, বোধ, সংস্কৃতি। যা কিছু ভালো তা গ্রহণ করার প্রবহমান ধারাতেই এগিয়ে গেছে সভ্যতা।

কিন্তু উপজেলা পর্যায়ের সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় যেন পুরানোকেই আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রেখেছে। এটা সেই ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ কি না- উঠছে সেই প্রশ্ন।সরকারি দপ্তর থেকে এখন আর হাতে-লেখা কাগজ তেমন সরবরাহ করা হয় না। এমনকি গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরাও কোথাও সাধারণত হাতে-লেখা চিঠি বা আবেদন জমা দেন না। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আপনি পাবেন হাতে-লেখা কাগজ।

দলিলের ‘নকল’ উঠাতে গেলে পাবেন এমন হাতের লেখা যা অনেক সময় ঠিকমতো পড়া যায় না।একসময় কার্বন পেপার দিয়ে একাধিক কপি করা হলেও এখন ক্ষেত্রবিশেষ ছাড়া সেটা কেউ ব্যবহার করেন না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

তুমি কি কখনো লবণ, গোলমরিচ, নিমের ডাল বা পোড়া ছাই দিয়ে দাঁত মেজেছ? টিউবের টুথপেস্ট ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হলে এই কথাগুলো শুনলে অদ্ভুত বা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে শত শত বছর ধরে মানুষ মুখ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের পদ্ধতিই ব্যবহার করে এসেছে।

আর সেগুলোর কাজ আজকের দোকান থেকে কিনে আনা টুথপেস্টের চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিল না।পুরোনো দিনের টুথপেস্টে লবণ বা ছাইয়ের মতো খসখসে বা ঘর্ষণকারী উপাদান থাকত, যা ঘষে দাঁতের ময়লা দূর করতে সাহায্য করত। বর্তমানের বাজারে পাওয়া টুথপেস্টেও এমন উপাদান থাকে। তবে আধুনিক টুথপেস্টে ডিমের খোসা গুঁড়া বা পিউমিস পাথরের মতো ক্ষতিকর উপাদানের বদলে হাইড্রেটেড সিলিকার মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা দাঁতের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

তবে টুথব্রাশের ইতিহাস জানার আগে জানা দরকার টুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে।চিনি যদি দাঁতের জন্য খারাপ হয়, তাহলে টুথপেস্ট মিষ্টি কেনটুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে?টুথপেস্ট মুখ সতেজ ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব
মানুষ আসলে সর্বভূক

মানুষ কি প্রকৃতিগতভাবে নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিজ্ঞান কী বলে, আর সুস্থ থাকতে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে কী থাকা উচিত?আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক হয়, তার মধ্যে একটি হলো মানুষ কি নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসাভিত্তিক জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা। কেউ বলেন, প্রাণিজ আমিষ বা মাছ-মাংস খাওয়া উচিত নয়।

আবার কেউ উৎসাহ দেন প্রচুর মাংস ও চর্বি খেতে। এসব মতামত সামনে এলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কেউ অসুস্থ হলে তো কথাই নেই—একজন রোগীকে ঘিরে সবাই যেন চিকিৎসক হয়ে ওঠেন। আমাদের সামাজিক আচরণের এ প্রবণতা পরিচিত।কিন্তু মানুষ আসলে কী ধরনের খাদ্য গ্রহণের উপযোগী? বিজ্ঞানের উত্তর স্পষ্ট: মানুষ সর্বভুক। অর্থাৎ মানুষের শরীর উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—উভয় উৎসের খাবার থেকেই পুষ্টি গ্রহণ করতে সক্ষম।

তবে সর্বভুক হওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রচুর মাংস খেতেই হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন