শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে বগুড়ার হাটধুমা গ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুমড়া বড়ি তৈরির ধুম। ভোর হতেই বাড়ির উঠানে উঠানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শুরু হয় বড়ি তৈরির কাজ।
পূর্বপুরুষদের আমল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য ধরে রেখে গ্রামটির অর্ধশতাধিক পরিবার এখন নিজেদের জীবিকার পথ তৈরি করেছে।বাড়ির উঠানে বড় গামলায় কুমড়া বড়ি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন শৈলাল চন্দ্র মহন্তমাষকলাইয়ের ডাল ও চালকুমড়া মিশিয়ে তৈরি হয় কুমড়া বড়িমাষকলাইয়ের ডাল পিষে চালকুমড়ার সঙ্গে মিশিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে তৈরি করা হয় কুমড়া বড়ির মিশ্রণফেটানো ডালের মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন কহিনুর বেগমদুই থেকে তিন দিন রোদে শুকানোর পর খাওয়ার উপযোগী হয় কুমড়া বড়িনিজের হাতে তৈরি কুমড়া বড়ি রোদে শুকাতে দিচ্ছেন কহিনুর বেগমবাড়ির উঠানে সারি সারি করে কুমড়া বড়ি রোদে শুকানো হচ্ছেবাড়ির উঠানে বসে পিষে নেওয়া মাষকলাইয়ের ডালের মিশ্রণ মাখাচ্ছেন নারী ও পুরুষেরাপরম যত্নে কুমড়া বড়ি তৈরি করছেন এক নারীকড়া রোদে দুই থেকে তিন দিন শুকানোর পর রান্নার উপযোগী হয় কুমড়া বড়িবাড়ির পাশে কুমড়া বড়ি শুকাতে দিচ্ছেন শৌখিন চন্দ্র মহন্তবাড়ির টিনের চালাজুড়ে শুকাতে দেওয়া হয়েছে বড়িরোদে শুকানো কুমড়া বড়ি ঘরের উঠানে বিছিয়ে দিচ্ছেন শৈলাল চন্দ্র মহন্তশুকানো শেষে কুমড়া বড়ি বিক্রির জন্য হাটে নেওয়া হবে
সূত্র: প্রথম আলো