সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কোরআন পাঠের প্রচলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মব্যস্ত জীবনে বা যাতায়াতের পথে স্মার্টফোনের কোরআন অ্যাপ থেকে পাঠ করা সহজ।তবে ফিকহ বা ইসলামি আইনশাস্ত্রের একটি বহুল আলোচিত প্রশ্ন হলো, ছাপানো কোরআন শরিফ স্পর্শ করার জন্য যেমন অজুর বাধ্যবাধকতা রয়েছে, মোবাইল ফোনে কোরআন পড়ার ক্ষেত্রেও কি একই বিধান প্রযোজ্য?

বিশ্লেষণ করা হলো।ছাপানো কোরআন স্পর্শের বিধান কোরআন শরিফ (মুসহাফ) অজু ছাড়া স্পর্শ করা ইসলামে সর্বসম্মতভাবে নিষিদ্ধ।

আল্লাহ এর মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, ‘যারা পূর্ণ পবিত্র, তারা ছাড়া অন্য কেউ তা (কোরআন) স্পর্শ করবে না।’ (সুরা ওয়াকিয়া, আয়াত: ৭৯)সাহাবি আমর ইবনে হাজমকে লেখা এক চিঠিতে মহানবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, ‘পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ যেন কোরআন স্পর্শ না করে।’ (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস: ৪৬৮)এই হাদিস ও আয়াতের ভিত্তিতে চার মাজহাবের ফকিহগণ একমত যে অজু ছাড়া ছাপানো কোরআন শরিফের পাতা বা লেখা হাত দিয়ে ধরা নাজায়েজ।মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে স্ক্রিনের গ্লাস বা কাচ একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে এবং আয়াতের লেখাগুলো সেই গ্লাসের নিচে প্রতিফলিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নি... লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার
advertisement

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন

ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন
এত ছোট একটি ফুল থেকে এত জোরালো গন্ধ আসে কোথা থেকে?

সন্ধ্যার দিকে হয়তো হাঁটতে বেরিয়েছেন, বাতাসে তখন হালকা হিম। হঠাৎ একটা ভারী ও মিষ্টি গন্ধ নাকে এসে লাগল। ওপরে তাকালে চোখে পড়বে বিশাল এক গাছ, যার ডালের প্রতিটি গিঁট থেকে পাতাগুলো ছাতার শিকের মতো চারদিকে ছড়িয়ে আছে। এটাই সেই ছাতিম গাছ, যা সপ্তপর্ণী নামেও পরিচিত। বিজ্ঞানীরা একে ডাকেন Alstonia scholaris নামে।এই গাছ বেশ উঁচু হয়, ডাল বা পাতা ছিঁড়লে সাদা আঠালো কষ বেরিয়ে আসে।

এক গিঁটে সাধারণত সাতটি পাতা থাকে বলেই এর নাম হয়েছে সপ্তপর্ণী। তবে এর ফুলগুলো কিন্তু একেবারে সাদামাটা, আকারে ছোট আর রংটা ফিকে সবুজাভ-সাদা।এর গন্ধ নিয়ে অবশ্য মানুষের মতামত আলাদা। কারও কাছে এটি নেশাধরানো, আবার কারও কাছে মাথাধরানো। তবে এর গন্ধ যে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার মতো নয়, সে কথায় প্রায় সবাই একমত।

প্রশ্ন হলো, এত ছোট একটি ফুল থেকে এত জোরালো গন্ধ আসে কোথা থেকে?ছাতিম ফুলগুলো কিন্তু একেবারে সাদামাটা, আকারে ছোট আর রংটা ফিকে সবুজাভ-সাদাএই গন্ধের শুরুটা হয় মূলত পাপড়িতে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে

বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে

ভোরবেলা নদীর ঘাটে গেলে জেলেদের জালে নানা রকম মাছ দেখা যায়। কোনোটা রুপালি, কোনোটা লম্বাটে, কোনোটা কাঁটায় ভরা। এর মধ্যে একটা মাছ আছে, যার দিকে হঠাৎ তাকালে চোখই পড়ে না। গায়ের রং বালির মতো ধূসর-বাদামি, তার ওপর গাঢ় ছোপ। মাছটার নাম বেলে।প্রশ্ন হলো, মাছটা বালির কাছে কিংবা নিচে থাকে কেন? উত্তরটা বুঝতে হলে আগে মাছটাকে একটু চিনে নিতে হবে।বেলে মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Glossogobius giuris। এরা গোবি পরিবারের মাছ।

আমাদের নদী, খাল, বিল আর পুকুরে একসময় এদের প্রচুর দেখা যেত। মোহনার লোনাপানিতেও টিকে থাকতে পারে। লম্বায় সাধারণত ১৫-২০ সেন্টিমিটার হয়, কোনো কোনোটা আরও বড়। মাথা চ্যাপটা, মুখ বড়। চোখ দুটো মাথার ওপরের দিকে বসানো। পিঠে দুটো আলাদা পাখনা আছে। অন্য অনেক মাছের মতো এরা সারাক্ষণ ভেসে বেড়ায় না। বেশির ভাগ সময় কাটে তলায়।বেলের সবচেয়ে বড় কৌশল লুকিয়ে থাকা।

বালু আর কাদার রঙের সঙ্গে গায়ের রং এমন মিলে যায় যে ওপর থেকে বোঝাই যায় না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প

সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প
তৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়া

মিডিয়ায় সহকর্মী নাকি বন্ধু হয় না। কারণ, সবাই এখানে একে অন্যের সহযোগী নয়, প্রতিযোগী। তবে তৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়ার গল্পটি আলাদা। তিন বন্ধু একসঙ্গে ঘুরতে গেলেন সিলেটের লালাখালে। সেই ঘোরাঘুরির গল্পই শোনাচ্ছেন মনজুরুল আলমতৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির ও মুমতাহিনা টয়াগত ২৭ অক্টোবর ছিল অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের জন্মদিন। তৌসিফ জানান, প্রতিবার জন্মদিনেই কোনো না কোনো কাজ পড়ে যায়। শুটিংসহ নানা ব্যস্ততায় দিনটি কাটে।

চাইলেও পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। যে কারণে এবার আগে থেকেই শুটিং বন্ধ করেন অভিনেতা তৌসিফ। জানান, ঢাকায় থাকলে কেউ না কেউ, কোনো না কোনো কাজ করিয়ে নেয়। যে কারণে স্ত্রী ও বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তৌসিফ বললেন, ‘এবার জন্মদিনে হারিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, পেরেছি। নিজের মতো করে ঘুরেছি; আর যেহেতু বন্ধুরা সব সময় জন্মদিনে পাশে থাকে, সে কারণে তাঁদের জানিয়েছিলাম, আমার সঙ্গে যাবে কি না।

রাজি হয়ে গেল সাফা, টয়া ও সিয়াম (আহমেদ)।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন